বছরের কোন মাসে কোন বিভাগে কতগুলো জেলা ঘোরার জন্য ভালো, তার একটা ছবি। প্রতিটি ঘরে সংখ্যা লেখা আছে — রং শুধু সহায়ক।
| বিভাগ | জানুয়ারি | ফেব্রুয়ারি | মার্চ | এপ্রিল | মে | জুন | জুলাই | আগস্ট | সেপ্টেম্বর | অক্টোবর | নভেম্বর | ডিসেম্বর |
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| বরিশাল | ৪/৬ | ৪/৬ | ০/৬ | ০/৬ | ০/৬ | ০/৬ | ২/৬ | ২/৬ | ৩/৬ | ৩/৬ | ৬/৬ |
ঘরের সংখ্যা মানে: সেই বিভাগের গাইড-থাকা জেলাগুলোর মধ্যে কতটি এই মাসকে ভালো সময় বলেছে।
যে জেলার গাইড এখনো লেখা হয়নি, সেগুলো এই ক্যালেন্ডারে ধরা হয়নি।
শীতকাল: বেড়ানোর সবচেয়ে জনপ্রিয় সময়, তাই ভিড় আর ভাড়া বেশি হতে পারে। উত্তরে সকালে কুয়াশা থাকে।
| ৫/৬ |
| চট্টগ্রাম | ১১/১১ | ১১/১১ | ০/১১ | ০/১১ | ০/১১ | ০/১১ | ১/১১ | ১/১১ | ০/১১ | ৪/১১ | ১১/১১ | ১১/১১ |
|---|
| ঢাকা | ১২/১৩ | ১২/১৩ | ২/১৩ | ০/১৩ | ০/১৩ | ২/১৩ | ৩/১৩ | ২/১৩ | ১/১৩ | ১/১৩ | ১২/১৩ | ১২/১৩ |
|---|
| খুলনা | ১০/১০ | ১০/১০ | ১/১০ | ১/১০ | ০/১০ | ০/১০ | ০/১০ | ০/১০ | ০/১০ | ২/১০ | ৯/১০ | ১০/১০ |
|---|
| ময়মনসিংহ | ৪/৪ | ৪/৪ | ২/৪ | ০/৪ | ০/৪ | ০/৪ | ১/৪ | ১/৪ | ০/৪ | ২/৪ | ৪/৪ | ৪/৪ |
|---|
| রাজশাহী | ৮/৮ | ৮/৮ | ৬/৮ | ০/৮ | ১/৮ | ২/৮ | ১/৮ | ১/৮ | ১/৮ | ৬/৮ | ৮/৮ | ৮/৮ |
|---|
| রংপুর | ৮/৮ | ৮/৮ | ৭/৮ | ০/৮ | ০/৮ | ০/৮ | ০/৮ | ০/৮ | ০/৮ | ৪/৮ | ৮/৮ | ৮/৮ |
|---|
| সিলেট | ২/৪ | ২/৪ | ২/৪ | ০/৪ | ০/৪ | ২/৪ | ২/৪ | ২/৪ | ২/৪ | ৩/৪ | ৩/৪ | ২/৪ |
|---|

বুড়িগঙ্গার তীরে ঢাকার নবাবদের গোলাপি প্রাসাদ, এখন জাদুঘর। ভেতরের কক্ষগুলোতে নবাব পরিবারের আসবাব আর ছবি দিয়ে উনিশ শতকের ঢাকার একটা ধারণা পাওয়া যায়।

ধামইরহাটে শালবনের পাশে বিশাল এক প্রাচীন দিঘি ঘিরে জাতীয় উদ্যান, ২০১১ সালে ঘোষিত। শীতে দিঘিতে পরিযায়ী পাখি আসে, বনের ভেতর হাঁটার পথ আছে।

শহর থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে আলুটিলা পাহাড়ের ভেতরে প্রাকৃতিক একটি সুড়ঙ্গ-গুহা, স্থানীয় নাম মাতাই হাকর। ভেতরে পুরোপুরি অন্ধকার আর নিচ দিয়ে পানি বয়ে যায়, তাই মশাল বা টর্চ নিয়ে পাথরের উপর দিয়ে হেঁটে পার হতে হয়। পাহাড়ের উপর থেকে খাগড়াছড়ি শহর দেখা যায়।

কাজলা নদীর কাছে নীলকরদের তৈরি পুরোনো কুঠিবাড়ি, চারপাশে আমবাগান। নীলচাষ আর কৃষক নির্যাতনের ইতিহাসের সাক্ষী এই ভবন।
যমুনা আর পদ্মার মিলনের কাছাকাছি আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাট। যমুনা সেতুর আগে উত্তরবঙ্গের পথ ছিল আরিচা দিয়ে; পাটুরিয়া থেকে এখনো দৌলতদিয়ায় ফেরি চলে। বিকেলে বিশাল নদীর ওপর সূর্যাস্ত দেখতে ভালো লাগে।

১৫২৩-২৪ সালে সুলতান নুসরত শাহের আমলে নির্মিত দশ গম্বুজের মসজিদ, পোড়ামাটির অলংকরণের জন্য বিখ্যাত। পাশে বড় দিঘি আর একটি মাজার; চারদিকে বাঘার আমবাগান।
দেওয়ানগঞ্জে যমুনার পাড়ের ঐতিহাসিক ঘাট, একসময় ট্রেনের যাত্রী আর মালামাল ফেরিতে নদী পার হতো এখান দিয়ে। এখন জৌলুশ কমেছে, তবে বিশাল যমুনা আর চরের জীবন কাছ থেকে দেখার জায়গা।
হাইল হাওরের ভেতরে একটি স্থায়ী মৎস্য অভয়াশ্রম। পর্যবেক্ষণ টাওয়ার থেকে শীতে হাঁস আর জলচর পাখির ঝাঁক দেখা যায়, জলে শাপলা-পদ্মও থাকে।

ফুলছড়ির যমুনা-তীরের একটি ঘাট ও ফেরি পয়েন্ট। নদীর কিনারে বসে ফেরি আর নৌকার চলাচল দেখার জায়গা।

সাটুরিয়ার বালিয়াটিতে সাতটি প্রাসাদভবন নিয়ে বিশাল জমিদারবাড়ি, প্রায় ছয় একর জুড়ে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে থাকা এই কমপ্লেক্সের একটি ভবনে ছোট জাদুঘরও আছে।
যমুনা নদীর ওপর দেশের বড় সড়ক-রেল সেতু; সিরাজগঞ্জ প্রান্তে নদীর তীর থেকে সেতুর বিশালতা দেখা যায়। শীতে চর, বর্ষায় বিস্তীর্ণ জলরাশি।

তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধায় দেশের উত্তরতম প্রান্ত, যেখানে ভারত সীমান্তের পাশে স্থলবন্দর। এখান থেকে সিলিগুড়ি ও দার্জিলিংয়ের দিক নিকটেই।