১৯টি জায়গা
৪টি জেলা নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ। জেলা বেছে নিয়ে ঘুরে দেখুন।
মানচিত্রে দেখুন
উনিশ শতকের শেষ দিকে তৈরি লোহার পাতের দেয়ালের একটি বাড়ি, স্থানীয়ভাবে 'লোহার কুঠি' নামে পরিচিত। এখন শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজের চত্বরে, বাইরে থেকে দেখা যায়।
দেওয়ানগঞ্জে যমুনার পাড়ের ঐতিহাসিক ঘাট, একসময় ট্রেনের যাত্রী আর মালামাল ফেরিতে নদী পার হতো এখান দিয়ে। এখন জৌলুশ কমেছে, তবে বিশাল যমুনা আর চরের জীবন কাছ থেকে দেখার জায়গা।
মোহনগঞ্জের কাছে জেলার বড় হাওরগুলোর একটি। বর্ষায় যত দূর চোখ যায় পানি, মাঝে মাঝে গ্রাম; পর্যটকের ভিড় প্রায় নেই।
বকশীগঞ্জে গারো পাহাড়ের পাদদেশে টিলা আর শালবনের মাঝে একটি অবকাশ কেন্দ্র। পর্যবেক্ষণ টাওয়ার থেকে সীমান্তের ওপারের পাহাড় দেখা যায়; আশপাশে গারো গ্রাম আছে।
শ্রীবরদী উপজেলায় গারো পাহাড়ের পাদদেশে আশপাশের তুলনায় উঁচু একটি টিলা, উপরে সমতল জায়গা থেকে চারপাশের বন আর গ্রাম দেখা যায়। গজনী-মধুটিলার মতো সাজানো নয়, ভিড়ও কম।
নেত্রকোণা শহরের দক্ষিণে মদনপুরে সুফি সাধক শাহ সুলতান রুমী (রহ.)-এর মাজার, এ অঞ্চলে ইসলাম প্রচারের প্রাচীন ইতিহাসের সঙ্গে জড়িত।

নদীর ধারে বিশাল, গাছপালায় ভরা ক্যাম্পাস; বোটানিক্যাল গার্ডেনে দেশি-বিদেশি অনেক প্রজাতির গাছ আছে। ক্যাম্পাসের পাশে ব্রহ্মপুত্রের চরে নৌকায় ঘোরা যায়।

দুর্গাপুরের বিজয়পুরে চীনামাটি তোলার ফলে তৈরি সাদা, গোলাপি আর হলদেটে টিলা, মাঝে মাঝে নীলচে-সবুজ পানির খাদ। দেখতে অদ্ভুত সুন্দর, তবে জায়গাটা খনন এলাকা।

গারো, হাজংসহ এই অঞ্চলের ক্ষুদ্র জাতিসত্তার সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করা সরকারি প্রতিষ্ঠান। ছোট সংগ্রহশালায় পোশাক, বাদ্যযন্ত্র আর দৈনন্দিন জিনিস দেখা যায়।