৬১টি জায়গা
১৩টি জেলা নিয়ে ঢাকা বিভাগ। জেলা বেছে নিয়ে ঘুরে দেখুন।
মানচিত্রে দেখুন
আরমানিটোলায় আঠারো শতকের এক শান্ত গির্জা, চারপাশে পুরোনো আর্মেনীয় বণিকদের কবর। পুরান ঢাকার হট্টগোলের মাঝে এটা একটু দম নেওয়ার জায়গা।
বৌদ্ধ পণ্ডিত অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞানের জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত বজ্রযোগিনী গ্রামের ‘পণ্ডিতের ভিটা’, সেখানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ আছে। দেখার জিনিস কম, কিন্তু ইতিহাসে আগ্রহীদের কাছে জায়গাটার আলাদা টান।
জয়দেবপুরে উনিশ শতকে বানানো ভাওয়াল জমিদারদের প্রাসাদ, ‘ভাওয়াল সন্ন্যাসী’ মামলার কারণে বিখ্যাত। এখন এখানে সরকারি দপ্তর, তাই সাধারণত বাইরে থেকেই দেখতে হয়।
রায়পুরার রামনগরে মুক্তিযুদ্ধের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের স্মরণে ছোট জাদুঘর ও গ্রন্থাগার।
কিশোরগঞ্জ শহরের কাছে ফুলেশ্বরী নদীর ধারে ষোলো শতকের শিবমন্দির, বাংলা ভাষার প্রথম নারী কবি হিসেবে পরিচিত চন্দ্রাবতীর স্মৃতির সাথে জড়িত। নিরিবিলি জায়গা।

ধনবাড়ীর নবাবদের পুরোনো প্রাসাদ আর তার পাশের অলংকৃত মসজিদ। প্রাসাদের অংশ এখন ব্যক্তিমালিকানাধীন রিসোর্ট হিসেবে চলে, মসজিদটি নামাজের জন্য খোলা।
শরীয়তপুর শহরের ধানুকায় কয়েক শতাব্দী পুরোনো এক বাড়ি-চত্বর; কালী, দুর্গা ও মনসা মন্দির, নহবতখানা আর পুরোনো সংস্কৃত টোলের ভবন এখনো দাঁড়িয়ে। সংস্কারের অভাবে জীর্ণ, তবে ইতিহাসের গন্ধ টের পাওয়া যায়।
পাকুন্দিয়ায় পুরোনো ব্রহ্মপুত্রের পাড়ের প্রাচীন জনপদ, ঈসা খাঁর সাথে মোগলদের যুদ্ধের স্মৃতি জড়ানো। সতেরো শতকের সাদী মসজিদ আর শাহ মাহমুদ মসজিদ এখনো দাঁড়িয়ে আছে।
বর্ষায় বিলের পানিতে কচুরিপানা আর জলজ লতা দিয়ে বানানো ভাসমান ধাপে চারা আর সবজি চাষ করা হয় — নিচু জমির মানুষের বহু পুরোনো কৌশল। ডিঙি নিয়ে ধাপগুলোর মাঝ দিয়ে ঘোরা যায়।