ধরন, মাস, জেলা বা বিভাগ ধরে ছেঁকে নাও। সব তথ্য প্রকাশিত জায়গার তালিকা থেকে আসছে।
৪টি জায়গা পাওয়া গেছে

১৫২৩-২৪ সালে সুলতান নুসরত শাহের আমলে নির্মিত দশ গম্বুজের মসজিদ, পোড়ামাটির অলংকরণের জন্য বিখ্যাত। পাশে বড় দিঘি আর একটি মাজার; চারদিকে বাঘার আমবাগান।
শহরের দক্ষিণ দিক দিয়ে বয়ে যাওয়া পদ্মার বাঁধ ধরে হাঁটার জায়গা, বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মানুষের ভিড়। শুকনো মৌসুমে নৌকায় করে নদীর চরে যাওয়া যায়।

পুঠিয়া রাজাদের রাজবাড়ি ঘিরে কয়েকটি মন্দির: বিশাল ভুবনেশ্বর শিবমন্দির, পোড়ামাটির কাজে ভরা পঞ্চরত্ন গোবিন্দ মন্দির, দোলমঞ্চ আর আরও কয়েকটি ছোট মন্দির। দিঘির পাশে সব কাছাকাছি, হেঁটেই দেখা যায়।

১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত দেশের সবচেয়ে পুরোনো জাদুঘর, এখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানে। পাল ও সেন আমলের পাথরের ভাস্কর্য, শিলালিপি আর প্রাচীন মুদ্রার সংগ্রহ বিশেষভাবে সমৃদ্ধ।