২৫টি জায়গা
৪টি জেলা নিয়ে সিলেট বিভাগ। জেলা বেছে নিয়ে ঘুরে দেখুন।
মানচিত্রে দেখুনহাইল হাওরের ভেতরে একটি স্থায়ী মৎস্য অভয়াশ্রম। পর্যবেক্ষণ টাওয়ার থেকে শীতে হাঁস আর জলচর পাখির ঝাঁক দেখা যায়, জলে শাপলা-পদ্মও থাকে।
বানিয়াচংকে প্রায়ই এশিয়ার সবচেয়ে বড় গ্রাম বলা হয়। এখানকার বিশাল সাগরদীঘি ঘিরে রানি কমলাবতীর লোককাহিনি প্রচলিত। আশপাশে পুরোনো রাজবাড়ির ধ্বংসাবশেষ আর বিথঙ্গল আখড়া আছে।

দেশের সবচেয়ে বড় হাওর, মৌলভীবাজার আর সিলেট দুই জেলায় ছড়ানো। শীতে অসংখ্য অতিথি পাখি আসে; সরকার একে প্রতিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করেছে।

সুনামগঞ্জ শহরে মরমি কবি হাসন রাজার পারিবারিক বাড়িতে গড়ে ওঠা জাদুঘর। তাঁর ব্যবহৃত জিনিসপত্র, পাণ্ডুলিপি আর গানের ইতিহাস জানা যায়।

কমলগঞ্জের রাজকান্দি সংরক্ষিত বনের গভীরে উঁচু একটি ঝরনা, মাত্র কয়েক বছর আগে পর্যটকদের কাছে পরিচিত হয়েছে। কোনো পাকা পথ নেই—ছড়া, কাদা আর টিলা পেরিয়ে হাঁটতে হয়।

শহর থেকে খুব কাছে একটি ছোট মিশ্র চিরসবুজ বন, চা-বাগান দিয়ে ঘেরা। ভিড় কম, পাখি আর বানর দেখার জন্য শান্ত সকালে যাওয়া ভালো।

চুনারুঘাটে ভারতের সীমান্তঘেঁষা একটি শুষ্ক চিরসবুজ বন, দেশের পুরোনো সংরক্ষিত বনগুলোর একটি। মুখপোড়া হনুমান, উল্লুক আর বহু প্রজাতির পাখির আবাস। সাতছড়ির চেয়ে ভিড় অনেক কম।

হবিগঞ্জ সদরের রাজিউড়া ইউনিয়নে সুলতানি আমলের ইটের তৈরি ছোট মসজিদ, উচাইল মসজিদ নামেও পরিচিত। হোসেন শাহের আমলে নির্মিত, একসময় ঝোপঝাড়ে ঢাকা পড়ে ছিল।
মাধবপুর উপজেলার এই চা-বাগানের বাংলোতে ১৯৭১ সালের এপ্রিলে মুক্তিযুদ্ধের শুরুর দিকের সামরিক কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছিল। বাগানের ভেতরে একটি স্মৃতিসৌধ আছে।