৩৩টি জায়গা
৮টি জেলা নিয়ে রাজশাহী বিভাগ। জেলা বেছে নিয়ে ঘুরে দেখুন।
মানচিত্রে দেখুন
ধামইরহাটে শালবনের পাশে বিশাল এক প্রাচীন দিঘি ঘিরে জাতীয় উদ্যান, ২০১১ সালে ঘোষিত। শীতে দিঘিতে পরিযায়ী পাখি আসে, বনের ভেতর হাঁটার পথ আছে।

মহাস্থানগড় থেকে কয়েক কিলোমিটার পশ্চিমে খনন করা বৌদ্ধ বিহারের ভিত। মহাস্থানের তুলনায় এখানে ভিড় অনেক কম, গ্রামের পথ ধরে যেতে হয়।

চাটমোহর বাজারের কাছে ১৫৮২ সালে মাসুম খান কাবুলির পৃষ্ঠপোষকতায় নির্মিত তিন গম্বুজের মসজিদ। বাংলায় মোগল আমলের শুরুর দিকের টিকে থাকা স্থাপনাগুলোর একটি।

১৪৭৯ সালে সুলতান শামসুদ্দিন ইউসুফ শাহের সময়ে নির্মিত মসজিদের ধ্বংসাবশেষ। ছাদ নেই, কিন্তু ইটের দেয়াল আর পাথরের স্তম্ভের ভিত দেখে মূল আকার আন্দাজ করা যায়। কাছেই দারাসবাড়ি মাদ্রাসার ঢিবি।

পত্নীতলা উপজেলায় একটি প্রাচীন দিঘি, যার মাঝখানে পানির ভেতর থেকে উঠে আছে একটি পাথরের স্তম্ভ। এটিকে পাল আমলের কৈবর্ত বিদ্রোহের স্মৃতির সঙ্গে যুক্ত করা হয়।

পাহাড়পুর থেকে কয়েক মাইল দক্ষিণে একটি বৌদ্ধ বিহারের ঢিবি, ইউনেস্কোর সম্ভাব্য বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় আছে। আশপাশে গ্রামের জীবন, ভিড় প্রায় নেই।
ক্ষেতলাল উপজেলার হিন্দা গ্রামে গত শতকের মাঝামাঝি নির্মিত মসজিদ, মোগল ধাঁচের গম্বুজ আর নকশার জন্য পরিচিত। শুক্রবারে আশপাশের গ্রাম থেকে অনেক মানুষ আসেন।

ধামইরহাট উপজেলায় সীমান্তের কাছে পাল আমলের শেষ দিকের একটি বৌদ্ধ মহাবিহারের ধ্বংসাবশেষ। খনন করা অংশ ছোট, কিন্তু আলতাদিঘির সঙ্গে একই দিনে দেখা যায়।
পাবনা শহরের কালাচাঁদপাড়ায় দুটি দোচালা ঘর জোড়া দেওয়া আকৃতির ছোট মন্দির; এর নির্মাণকাল অষ্টাদশ না উনিশ শতক, তা নিয়ে সূত্রভেদে মতভেদ আছে। একসময় পোড়ামাটির ফলকে ঢাকা ছিল; এখন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সংরক্ষিত স্থাপনা।