৫৫টি জায়গা
১১টি জেলা নিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগ। জেলা বেছে নিয়ে ঘুরে দেখুন।
মানচিত্রে দেখুন
ছাগলনাইয়ায় মোগল আমলের তিন গম্বুজের পুরোনো মসজিদ। আকারে ছোট, তবে পুরোনো স্থাপত্যে আগ্রহ থাকলে দেখার মতো।
সদর উপজেলার দালাল বাজারে জমিদার লক্ষ্মীনারায়ণ বৈষ্ণবের বিশাল বাড়ি, ১৯৪৬ সালে পরিত্যক্ত হয়। ভাঙাচোরা দালানগুলোর একটিতে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর জাদুঘর গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে।

নুনছড়িতে পাহাড়ের উপরে ছোট একটি প্রাকৃতিক জলাশয়, ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর কাছে পবিত্র। নিচ থেকে খাড়া সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হয়; বছরে একবার এখানে বড় তীর্থমেলা বসে।

আগ্রাবাদে দেশের একমাত্র জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর, যেখানে পাহাড় ও সমতলের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর পোশাক, হাতিয়ার আর জীবনযাত্রার নিদর্শন রাখা আছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে যাওয়ার আগে একবার ঘুরে গেলে অনেক কিছু বোঝা সহজ হয়।
১৯৪৬ সালের দাঙ্গার পর মহাত্মা গান্ধীর নোয়াখালী সফরের স্মৃতি ধরে রাখা আশ্রম ও স্মৃতি জাদুঘর, সোনাইমুড়ীর জয়াগে। আশ্রমটি এখন গ্রামীণ উন্নয়নমূলক কাজও করে।

সীতাকুণ্ডের পশ্চিমে সবুজ ঘাসে ঢাকা কাদামাটির সৈকত, জোয়ার-ভাটায় নালাগুলো ভরে ও খালি হয়। সাধারণ বালুর সৈকতের মতো নয়, কিন্তু ছবি তোলার জন্য একেবারে আলাদা।

নাসিরনগরে তিতাসের পূর্ব পাড়ে উনিশ শতকের তিনতলা জমিদারবাড়ি, নদীর দিকে বড় বাঁধানো ঘাট। অনেক অংশ ভাঙাচোরা, সংস্কারের কাজ চলছে; সিনেমার শুটিংয়ের জায়গা হিসেবেও পরিচিত।
সরাইলের বাড়িউড়া এলাকায় খালের উপর মোগল আমলের ইটের সেতু। কথিত আছে, হাতি পারাপারের জন্য বানানো হয়েছিল বলেই এই নাম। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের একেবারে কাছে, তাই যাওয়ার পথে থামা যায়।
রায়পুর উপজেলা সদরের কাছে উনিশ শতকের শেষ দিকের তিন গম্বুজ ও চার মিনারের মসজিদ। লোকমুখে জ্বীনের মসজিদ নামে পরিচিত, যদিও ফলকে এটি মাওলানা আবদুল্লাহর মসজিদ বলে লেখা।